চাঁদপুরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে এম এ ওয়াদুদ আমরা আপনাদের জমি দখল করেছি- এ অভিযোগ মিথ্যা, প্রশাসন আমাদের জমি লিজ দিয়েছে
চাঁদপুরের স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক, সাংবাদিক ও ইলেক্টনিঙ্ মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সাথে চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ মতবিনিময় করেন। গত ৩১মার্চ সকাল ১০টায় মতলব দÿিণ উপজেলার মতলব মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শিক্ষক সমাবেশে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খীত ঘটনার আলোকে গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপেস্নঙ্ েমতবিনিময় সভায় ঘটনার প্রেÿাপট তুলে ধরেন এম এ ওয়াদুদ। চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌধুরীর পরিচালনায় এম এ ওয়াদুদ বলেন, মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী লেংটার মেলার উদ্বোধন ও সুজাতপুর কলেজের এইচএসসি পরীÿার কেন্দ্রে পরিদর্শন করতে তিনি ওই দিন সকালে চাঁদপুর থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে লÿ্য করেন মতলব দÿিণ উপজেলা সদরে একটি সমাবেশ হচ্ছে। হঠাৎ সমাবেশের মাইকে আওয়াজ ভেসে আসছে 'যায়-যায়' 'ধর-ধর', ভূমি দস্যুদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও-গুড়িয়ে দাও', আবার কিছুÿণ পরে শুনতে পান 'মুক্তিযোদ্ধাদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও', তখন তিনি বুঝতে পারেন প্রাথমিক শিÿক সমিতি সেখানে আন্দোলন করছে। তখন এম এ ওয়াদুদ মতলব উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপেস্নঙ্ েগাড়ী রেখে সরল মনে তাদের সমাবেশ স্থলে যান। শিÿক সমিতির নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের যদি কোন অভিযোগ থাকে তাহলে প্রশাসনের সাথে কথা বলুন। অযথা মুক্তিযোদ্ধাদের দোষারপ করছেন কেন। মুক্তিযোদ্ধারা আইনগতভাবে সরকারের কাছ থেকে জমি লিজের জন্য আবেদন করেছে। আবেদনের প্রেÿিতে প্রশাসন আমাদের জমি লিজ দিয়েছে। আমরা আপনাদের জমি দখল করেছি- এ অভিযোগ মিথ্যা। এ সময় জনৈক শিÿক এসে আমাকে বলেন, আপনি কে? এখানে কেন এসেছিস বলে ধাক্কা দেয়। এ সময় আমার সাথে তাদের বাকবিকন্ডতা হয় এবং কতিপয় শিÿকরা আমাকে ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে উদ্দেশ্য করে গালি-গালাজ করতে থাকে। বিষয়টি আমি মতলব দÿিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম ও মতলব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীরকে অবহিত করি। পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অবস্থান নিলে খবর পেয়ে সেখানে কয়েকশ' মুক্তিযোদ্ধা ও আমার শুভাকাঙ্খিরা এসে জড়ো হয়। তারা তাৎÿণিক প্রতিবাদ করতে চাইলে আমি তাদের ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানাই। বিষয়টি নিয়ে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বসা হয়। সেখানে মতলব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি ও উপস্থিত সকলের আমাদের আশ্বস্ত্ম করেন, এই ঘটনার জন্য শিÿকরা সংবাদ সম্মেলন করে দুঃখ প্রকাশ করবে। এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে এবং সকলের অনুরোধে আমাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেই। কিন্তু পরের দিন সকালে দেখলাম প্রাথমিক শিÿক সমিতি নেতৃবৃন্দ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্থানীয় পত্রিকায় আমার বিরম্নদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে। যা সত্যি দুঃখ জনক। এম এ ওয়াদুদ এ ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করতে তাৎÿণিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মতলব দÿিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম ও মতলব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীরকে ফোন করে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে সত্য ঘটনাটি তুলে ধরেন। মতবিনিময় সভায় এবিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন, দৈনিক চাঁদপুর দর্পণের সম্পাদক ও প্রকাশক ইকরাম চৌধুরী, দৈনিক ইল্শেপাড়ের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বি এম হান্নান, দৈনিক মেঘনা বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক আবদুল আউয়াল রম্নবেল, দৈনিক চাঁদপুর বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শহীদ পাটওয়ারী। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাফিজ খান, সিরাজুল ইসলাম বরকন্দাজ, সাংগঠনিক কমান্ডার আবুল কাসেম বেপারী, অর্থ কমান্ডার আব্দুর রশিদ খান, দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রহিম বাদশা, চাঁদপুর প্রতিদিনের প্রধান সম্পাদক জি এম শাহিন, দৈনিক আলোকিত চাঁদপুরের সম্পাদক ও প্রকাশক আলম পলাশ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জাকির হোসেন, সময় টিভির প্রতিনিধি ফারম্নক আহমেদ, এনটিভির প্রতিনিধি…
Read more